রত্ন পাথরের কার্যকারিতা বা উপকারিতা সম্পর্কে আমরা কম বেশি সকলেই অবগত । শারিরীক অক্ষমতা, মানুষিক অসুস্থতা ও অর্থনৈতিক সচ্ছলতার জন্য আমরা অনেকেই বিভিন্ন ধরণের রত্ন পাথর আংটি ব্যবহার করে থাকি।আল–কোরআনের ৫৫ নং সূরা “আর–রাহমান” এর ২১ ও ২২ নং আয়াতে আল্লাহতালা উল্লেখ করেছেন—“যার মাঝ থেকে এসেছে মুক্তা ও প্রবাল” “সুতরাং তোমরা আমার (আল্লাহ্র) কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?”
মুক্তাকে জ্ঞান এবং শক্তির প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, মুক্তার নিরাময় বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা মানবদেহের মধ্যে অসুস্থতা বা রোগ নিরাময় করতে পারে।যৌন রোগে মুক্তা উপকারী। যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সামুদ্রিক মুক্তা ভীষণ কার্যকর। কোন ব্যক্তি যখন দুশ্চিন্তা গ্রস্থ থাকে, সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে তখন মুক্তা পাথর ব্যবহার উপকার বয়ে আনতে পারে।বিশেষ করে যে সকল মানুষের মাথা খুব গরম থাকে, হঠাৎ করে উত্তেজিত হয়ে যায় তাদের জন্য মুক্তা পাথর ব্যবহার খুব উপকারী। বিশ্বাস করা হয় যে মুক্তা পাথর ব্যবহারে সম্মান, শ্রদ্ধা এবং সম্পদ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি এবং ব্রেইনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে মুক্তা পাথর।এও বিশ্বাস করা হয় যে মুক্তা পাথর ব্যবহারে সৌভাগ্য সূচীত হয়।